Monday, 22 January 2018

সুন্দরবনের খলিসা ফুলের মধু ।

চলছে সুন্দরবনের খলিসা ফুলের মধু কুরিয়ারে নেবার পস্তুতি,আপনিও যদি পিওর মধু পেতে চান কল করুন:01969847686/01877516336
Honey.সাবিত মধু, 

Friday, 19 January 2018

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গুণসম্পন্ন মধু কোনটি ?

আমি কিছু মধু বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি যে, "কালোজিরা ফুলের মধু" বাংলাদেশের সবচেয়ে গুণসম্পন্ন মধু। আলহামদুলিল্লাহ্‌।
.
যদিও অনেকেই "সুন্দরবনের মধুকেই" বেশি পছন্দ করেন। আবার অনেকে লিচু, সরিষাও পছন্দ করেন। তবে আমি নিজে খেয়েছি ও আরও কয়েকজনকে খাওয়ায়ে যে রিজাল্ট পেলাম। তার উপর নির্ভর করে যা বুঝলাম, তাহলো "কালোজিরা ফুলের মধুই" বেস্ট। আলহামদুলিল্লাহ্‌।
.
আজকে আমি আমার এতদিনের মধু বিক্রির অবিজ্ঞতা থেকে এই "কালোজিরা ফুলের মধু" সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করছি যা আপনাদের উপকারে আসবেই ইনশাআল্লাহ্‌।
.
১) "কালোজিরা ফুলের মধু" বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গুণসম্পন্ন মধু। অন্যান্য মধুর তুলনায় এই মধুতে রয়েছে একটু বেশি গুণাগুণ ও পুষ্টি উপাদান। যার ফলে এই মধুর মাধ্যমে বেশি উপকারিতা পাওয়া যায় ইনশাআল্লাহ্‌।
২) এই মধু অন্যান্য মধুর তুলনায় একটু বেশি ঘন হয়।
৩) দেখতে কুচকুচে কালো বর্ণের।
৪) স্বাদের দিক থেকে সবচেয়ে সেরা (এইটা আমার পার্সোনাল মতামত বললাম, তবে অনেকের কাছে আবার গুড় গুড় লাগে)

মধু-সাবিত মধু, 

Tuesday, 16 January 2018

মধু কোথায় পাবো ?

বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে সাবিত ভাইয়ের ১০০% খাটি মধু পেতে কল করুন ।কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে খাটি মধু ডেলিভালি দেওয়া হয়।

::::::::::::ORDER NOW:::::::::::::
         নাম:সাবিত আহমাদ
        ঠিকানা:ঝিনাইদহ
 কল করুন :01969847686/01877516336

মধু সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য ।

মধু এবং কিছু সম্পর্কিত কীটপতঙ্গ দ্বারা উত্পাদিত মধু, চটচটে খাদ্য। মৌমাছির উদ্দীপনা, এনজাইম্যাটিক ক্রিয়াকলাপ, এবং জল বাষ্পীভবন মাধ্যমে উদ্ভিদের (ফুলের অমৃত) বা অন্যান্য কীটপতঙ্গ (aphid honeydew) থেকে শর্করাবৎ secretions থেকে মধু উত্পাদন। মধুটি মধুবস্তুর নামক মোম কাঠামোতে সংরক্ষিত হয়। [1] [২] মধু মৌমাছি দ্বারা উত্পাদিত মধুর বিভিন্ন প্রজাতি (গোত্রের আপিস) হল বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক উৎপাদন এবং মানুষের ব্যবহারের কারণে সবচেয়ে সুপরিচিত। [3] মধু বুনো মৌমাছি উপনিবেশ থেকে সংগ্রহ করা হয়, বা গৃহপালিত মৌমাছির ছাগলছানা থেকে এবং মৌমাছির হিসাবে পরিচিত অভ্যাস।

মধু ফোটাটোস এবং গ্লুকোজ মোনোস্যাকচার্ডস থেকে তার মিষ্টতা পায়, এবং একই সাথে দানশীল চিনির মতো একই মিষ্টি মিষ্টি থাকে।  এটি একটি ক্ষতিকারক হিসাবে ব্যবহার করা হয় যখন বেকারি এবং একটি স্বতন্ত্র গন্ধ জন্য আকর্ষণীয় রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য আছে। সর্বাধিক সুবৈজ্ঞানিক মধুতে বৃদ্ধি পায় না, তাই সিল করা মধুও হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে নষ্ট হয় না।

মধু একটি টেবিল-চামচ (15 মিলিলিটার) পরিবেশন করে 1২00 কেজি প্রতি 100 গ্রামে 64 ক্যালোরি সরবরাহ করে। [8] সাধারণত মধু সাধারণত নিরাপদ হয়, [9] তবে এতে খরচ, বিদ্যমান রোগের অবস্থা বা প্রেসক্রিপশনের ওষুধ ব্যবহারের বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া বা প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

মধু এবং ব্যবহার একটি প্রাচীন কার্যকলাপ, একটি ভ্যালেন্সিয়া, স্প্যানায় চিত্রিত একটি দীর্ঘ এবং বৈচিত্রপূর্ণ ইতিহাস, অন্তত 8,000 বছর আগে মধুর জন্য মানুষের জন্য একটি গুহা পেইন্টিং।
                                                                                                          সূত্র:wikipedia

Sunday, 14 January 2018

মধু এত পাতলা হয় কেন ?

মধু পাতলা হয় কেনো?
মধুর তরলতা নির্ভর করে নেকটার সংগ্রহের উৎসের উপর। ফুল ভেদে নেকটারের ঘনত্ব বিভিন্ন রকমের হয়, কোনটা পাতলা আবার কোনটা ঘন। এর পেছনে অনুঘটক হিসাবে কাজ করে ঐ অঞ্চলের আবহাওয়া, আদ্রতা, বৃষ্টিপাত এবং মাটির আদ্রতার পরিমাণ। উদাহরণ হিসাবে বলা যেতে পারে মরু অঞ্চলের ফুলের নেকটার থেকে উৎপন্ন মধু অপেক্ষাকৃত ঘন হয় কারণ সেখানকার আবহাওয়া এবং মাটিতে ময়েশ্চার অনেক কম, পক্ষান্তরে যে অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ, বাতাসে এবং মাটিতে ময়েশ্চার বেশি, সেই অঞ্চলের মধু পাতলা হয়। যেমন চায়না, তাইওয়ান,সুন্দরবনের মধু উপরোক্ত কারণে পাতলা হয়। অনেকে ভুল ধারণা বশত মধুর ঘনত্ব দিয়ে মধুর আসল নকল যাচাইয়ের চেষ্টা করে, যেটা বিজ্ঞানসম্মত তো নয়ই বরং কুসংস্কার ই বলা যেতে পারে।

মধু পাতলা হওয়ার দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে ফুল থেকে মৌমাছি নেকটার সংগ্রহ করে মধু তৈরি করে চাঁকে রাখার পর তাতে জলীয় অংশের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, শ্রমিক মৌমাছিরা পাখা দিয়ে বাতাস করে পানির বাষ্পীভবনের মাধ্যমে এই জলীয় অংশের পরিমাণ কমিয়ে উপযুক্ত পর্যায় নিয়ে আসে এবং মোম দিয়ে ঢাকনা তৈরি করে ষড়ভুজাকৃতি ঘর গুলোকে ঢেকে দেয়। মৌচাষ বিদ্যার পরিভাষায় একে ‘ক্যাপিং’ বলা হয়। এই ক্যাপিং হওয়ার আগে মধু সংগ্রহ করলেও মধু পাতলা থেকে যায়। একই চাঁকের ক্যাপিং অংশের মধুর ঘনত্ব আনক্যাপিং অংশের তুলনায় বেশি হতে পারে।


সুন্দরনের মধু এত পাতলা হয় কেনো?
সুন্দরবন সমূদ্র তীরবর্তী হওয়ায় এবং ভেতরে ছোটবড় অনেক খাল থাকায় এখানকার পরিবেশে আদ্রতার পরিমান অনেক বেশি হওয়ায় মধুর উপর সরাসরি প্রভাব পড়ে বিধায় সুন্দরবনের মধু অনেক পাতলা হয়। মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, নাটোর, পাবনা সহ বিভিন্ন অঞ্চলের চাষকৃত সরিষা, কালিজিরা, ধনিয়া, লিচুর মধুর গড় ময়েশ্চার যেখানে ১৮-২২%, সেখানে সুন্দরবনের মধুতে ময়েশ্চারের পরিমাণ প্রায় ২৬-২৭%। এবং ময়েশ্চারের এই আধিক্যতাই সুন্দরবনের মধু পাতলা হওয়ার মূল কারণ এবং প্রধান বৈশিষ্ট্য। সুতরাং মধু পাতলা দেখে কিংবা মিষ্টতার আধিক্যের কারণে বিভ্রান্ত হওয়ার কোন কারণ নেই। সিজনের প্রথম যে মধুটা আহরিত হয় সেটার মিষ্টতা স্বাভাবিক ভাবেই বেশি থাকে।
Honey.সাবিত মধু, 

মধু ঘন হয় কেনো?

আমাদের দেশের সুপারশপ গুলোতে নামিদামি বিদেশি ব্রান্ডের যে মধুগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো উচ্চ তাপীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জলীয় অংশ কমিয়ে আনা হয় বিধায় এই মধুগুলো অনেক ঘন দেখায়, কিন্তু উচ্চ মাত্রায় তাপ প্রয়োগের ফলে মধুর অনেক প্রাকৃতিক গুণাবলী নষ্ট হয়ে যায়। এমনকি অনেক মধু বিশেষজ্ঞ একে মধু বলে স্বীকার ই করতে নারাজ।
Honey.সাবিত মধু, 


              নাম:সাবিত আহমাদ
               ঠিকানা:ঝিনাইদহ    
অর্ডার করতে কল করুন :01969847686

আপনি মধু কেন খাবেন ?

প্রতিদিন এক চামচ মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, নানা রোগের উপসমসহ জীবনীশক্তি বাড়িয়ে দেবে। নিয়মিত মধু সেবন করলে নানাবিধ উপকার পাওয়া যায়।

১. হাজারো গুণে ভরা মধুতে গুকোজ ও ফ্রুকটোজ আছে যা শরীরে শক্তি যোগায়। এর অন্যান্য উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

২. প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠান্ডা লাগা, কফ, কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়।

৩. মন ভালো করতে প্রতিদিন হালকা গরম পানির সাথে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে খান। সঙ্গে একটু দারুচিনির গুঁড়াও ছিটিয়ে নিতে পারেন।

৪. প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে ওজন কমে যায় কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়াও এভাবে প্রতিদিন খেলে লিভার পরিষ্কার থাকে, শরীরের বিষাক্ত উপাদান গুলো বের হয়ে যায় এবং শরীরের মেদ গলে বের হয়ে যায়।

৫. মধুর সাথে দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর সমস্যা দূর করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

৬. মধু ও দারুচিনির মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি কমে এবং যারা ইতিমধ্যেই একবার হার্ট অ্যাটাক করেছেন তাদের দ্বিতীয়বার অ্যাটাকের ঝুকি কমে যায়।

৭. হজমের সমস্যা থাকলে প্রতিদিন সকালে মধু খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিবার ভারী খাবারের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খান।

৮. যারা সারাক্ষন দূর্বলতায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেয়ে নিন এবং সারা দিন সবল থাকুন।

৯. সকালে ত্বকে মধু লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে মধুর বেশ কিছু উপাদান ত্বক শুষে নেয়। ফলে ত্বক মসৃণ ও সুন্দর হয়।

১০. ত্বকে নিয়মিত মধু ব্যবহার করলে ত্বকের দাগও চলে যায়।

    নাম:সাবিত আহমাদ
               ঠিকানা:ঝিনাইদহ    
অর্ডার করতে কল করুন :01969847686

                    honey-সাবিত মধু

-

বিত মধু

পুরুষেরা কেন মধু খাবে?

মধু সেবনের উপকারিতা ★
বলা হয়ে থাকে মৃত্যু ব্যাতীত সকল রোগের মহোঔষধ হলো মধু! মধু একটি খুব উপকারী খাদ্য, পন্য ও ঔষধ।এটি হচ্ছে আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত।জন্মের পর নানা দাদীরা  ‍মুখে মধু দেয় নাই এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। প্রাচীনকাল থেকে মানুষ প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে, মিষ্টি হিসেবে, চিকিৎসা ও সৌন্দর্য চর্চা সহ নানাভাবে মধুর ব্যবহার করে আসছে। শরীরের সুস্থতায় মধুর উপকারিতা অনেক।
মধু সেবনের ২৮টি উপকারিতা
জেনে নেওয়া যাক উপকারিত গুলোঃ-

১ঃ হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালী প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশীর কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।

২ঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৩ঃ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

৪ঃ দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে।

৫ঃ দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে।

৬ঃ মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে বার্ধক্য ঠেকাতে সাহায্য করে।

৭ঃ মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লাবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়।

৮ঃ আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়।

৯ঃ দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘা-এর জন্য খুবই উপকারী।

১০ঃ শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে।
Honey-সাবিত মধু

মধু খাওয়ার উপকারিতা কী এবং কীভাবে ভালো উপকার পাওয়া যায়। মধুর মাধ্যে কী এর্ল্যাজী আছে?

কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, "আপনার পালনকর্তা মৌমাছিকে আদেশ দিলেনঃ পর্বতে, গাছে ও উঁচু চালে বাড়ি তৈরী কর, এরপর সর্ব প্রকার ফুল থেকে খাও এবং আপন পালনকর্তার উন্মুক্ত পথে চলো। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চই এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (সূরা নাহলের ৬৮ ও ৬৯ নম্বর আয়াত)"শক্তি প্রদায়ীঃ মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। মধু তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।হজমে সহায়তাঃ এতে যে শর্করা থাকে তা সহজেই হজম হয়। কারণ এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিক ভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষদের জন্য মধু বিশেষ উপকারি।কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।রক্তশূন্যতায়ঃ মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক।কারণ এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়েঃ বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী। যদি একজন অ্যাজমা (শ্বাস কষ্ট) রোগীর নাকের কাছে ধরে শ্বাস টেনে নেয়া হয় তাহলে সে স্বাভাবিক এবং গভীর ভাবে শ্বাস টেনে নিতে পারবেন। কেউ কেউ মনে করেন, এক বছরের পুরনো মধু শ্বাস কষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো।অনিদ্রায়ঃ মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।পাকস্থলীর সুস্থতায়ঃ মধু পাকস্থলীর কাজকে জোরালো করে এবং হজমের গোলমাল দূর করে। এর ব্যবহার হাইড্রোক্রলিক এসিড ক্ষরণ কমিয়ে দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুক জ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়।দেহে তাপ উৎপাদনেঃ শীতের ঠান্ডায় এটি দেহকে গরম রাখে। এক অথবা দুই চা চামচ মধু এক কাপ ফুটানো পানির সঙ্গে খেলে শরীর ঝরঝরে ও তাজা থাকে।পানিশূন্যতায়ঃ ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়।যৌন দুর্বলতায় মধু বেশ উপকারী সকালেও রাতে 2 চা চামচ করে মধু খেতে পারেন।মধুতে এ্যালার্জি নাই

মৌমাছির অক্লান্ত শ্রমই হচ্ছে মধু.!!!

সাধারণভাবে বলা যায়- মধু হলো লাখ লাখ মৌমাছির অক্লান্ত শ্রম আর সেবাব্রতী জীবনের দান। মৌমাছিরা ফুলে ফুলে বিচরণ করে ফুলের রেণু ও মিষ্টি রস সংগ্রহ করে পাকস্থলীতে রাখে। তারপর সেখানে মৌমাছির মুখ নিঃসৃত লালা মিশ্রিত হয়ে রাসায়নিক জটিল বিক্রিয়ায় মধু তৈরি হয়। এরপর মুখ হতে মৌচাকের প্রকোষ্ঠে জমা করা হয়।রোগ নিরাময়ের জন্য মধু কখনো এককভাবে, আবার কখনো ভেষজ দ্রব্যের সঙ্গে মিশ্রিত করে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় সফলতার সঙ্গে ব্যবহার হয়ে আসছে।আমরা দিচ্ছি খাঁটি মধু পাবার নিশ্চয়তা




 নাম:সাবিত আহমাদ
               ঠিকানা:ঝিনাইদহ    

   অর্ডার করতে কল করুন :01969847686



শরীরের সুস্থতায় মধুর উপকারিতা কি?

আমাদের দেহের জন্য মধু অত্যন্ত উপকারী এবং নিয়মিত মধু সেবন করলে অসংখ্য রোগবালাই হতে পরিত্রান পাওয়া যাবে। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই প্রমানিত। হাজার বছর পূর্বেও মধু ছিল সমান জনপ্রিয়। ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায়, অনেক সভ্যতায় মধু ‘ঔষধ’ হিসেবেও ব্যবহৃত হত। মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। এতে চর্বি এবং প্রোটিন নেই। একশ গ্রাম মধুতে ২৮৮ পরিমাণ ক্যালরি থাকে। গুণে ভরা মধুতে রয়েছে গুকোজ ও ফ্রুকটোজ যা শরীরে শক্তি যোগায়। মধুর অন্যান্য উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এমনকি প্রতিটি পবিত্র ধর্মগ্রন্থেও মধু সেবনের উপকারিতা এবং কার্যকারিতার কথা উল্লেখ রয়েছে। যেমন পবিত্র আল কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “আপনার পালনকর্তা মৌমাছিকে আদেশ দিলেনঃ পর্বতে, গাছে ও উঁচু চালে বাড়ি তৈরী কর, এরপর সর্ব প্রকার ফুল থেকে খাও এবং আপন পালনকর্তার উন্মুক্ত পথে চলো। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চই এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকে মানুষ প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে, মিষ্টি হিসেবে, চিকিৎসা ও সৌন্দর্য চর্চা সহ নানাভাবে মধুর ব্যবহার করে আসছে। সুতরাং শরীরের সুস্থতায় মধুর উপকারিতা অনেক। এটা স্পষ্ট যে মধু আমাদের জন্য কতখানি উপকারি।

অর্ডার করতে আপনার নাম ঠিকানা ফোন নং জানিয়ে কমেন্ট করুন অথবা আমাদের ইনবক্স করুন।

        

             নাম:সাবিত আহমাদ
               ঠিকানা:ঝিনাইদহ    
   অর্ডার করতে কল করুন :01969847686


Saturday, 13 January 2018

রাসুল(স.) নিকট মধু এ জন্য বেশী প্রিয় ছিল .

মধু (Honey):- আবু নাঈম হযরত আয়েশা (রায়িঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল­াম এর নিকট মধু খুব বেশী প্রিয় ছিল। আল্লাহর
রাসুলের(স.) নিকট মধু এ জন্য বেশী প্রিয়ছিল যে, আল্লাহ তা’আলা বলেন, এর মধ্যে মানব জাতির রোগ নিরাময় রয়েছে।
মধুর রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। সকালে খালি পেটে জিহ্বা দ্বারা মধু চেটে খেলে কফ দূর হয়, পাকস্থলী পরিস্কার হয়, দেহের অতিরিক্ত দূষিত পদার্থ বের হয়, গ্রন্থ খুলে দেয়, পাকস্থলী স্বাভাবিক হয়ে যায়, মস্তিস্ক শক্তি লাভ করে, স্বাভাবিক তাপে শক্তি আসে, রতি শক্তি বৃদ্ধি হয়, মূত্রথলির পাথর দূর করে, প্রস্রাব স্বাভাবিক হয়, গ্যাস নির্গত হয় ও ক্ষুধা বাড়ায়।

প্যারালাইসিসের জন্যও মধু উপকারী। মধু হাজারো রকম ফুল ও দানার নির্যাস। দুনিয়ার সকল গবেষকগণ একত্রিত হয়ে এমন নির্যাস প্রস্তুত করতে চাইলেও কখনো বানাতে পারবে কিনা এ বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এটা শুধু মহান আল্লাহ পাকেরই শান যে, তিনি বান্দার জন্য এমন উত্তম ও বিশেষ 
উপকারী নির্যাস সৃষ্টি করে দিয়েছেন










শীতে মধু কেন-খাবেন

শীতে মধু কেন-খাবেন
সর্দি-কাশি সব সময়ই হতে পারে, তবে শীতকালে বেশি হয়। এ সময় গলা খুসখুস, ব্যথাসহ আরও অনেক রকম অসুখ-বিসুখে মধু খেলে উপকার পাওয়া যায়। শত শত বছর আগে থেকেই এই প্রাকৃতিক ওষুধের গুণ মানুষ জানে। প্রাচীন গ্রিক ও মিসরীয়রা ওষুধ হিসেবে মধু খেত। ভারতের আয়ুর্বেদ ও চীনের প্রাচীন চিকিত্সাশাস্ত্রে মধুর ব্যবহার দেখা যায়। মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি, অ্যামিনো অ্যাসিড ও খনিজ পদার্থ। এটা ঘন বলে গলা ফোলা ও ব্যথায় আরামদায়ক একটি প্রলেপের মতো কাজ করে। মধু ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে, পেটের আলসার ভালো করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। জেনে নিন মধুর কিছু ব্যবহার:
১. সামান্য সর্দি-কাশিতে আমরা সাধারণত তুলসীপাতার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাই। এতে উপকার পাওয়া যায়। কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেলে কাশির প্রকোপ কমে। তবে এক বছরের কম বয়সী ছোট বাচ্চাদের মধু খাওয়াবেন না। কারণ, মধুতে ক্লস্ট্রিডিয়াম বটুলিনাম নামের রেণু থাকে। বয়স্কদের অন্ত্রে এগুলো বংশবিস্তার করতে পারে না, কিন্তু খুব ছোট বাচ্চাদের পেটে বেড়ে উঠে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
২. শরীরের কোথাও সামান্য কাটাছেঁড়া থাকলে মধুর প্রলেপ দেওয়া যায়। মধুতে উঁচু মাত্রার জীবাণুনাশক উপাদান থাকায় সহজে সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব হয়। মৌমাছি ফুল থেকে যে মধু সংগ্রহ করে তাতে ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ পানি থাকে। ওরা নিজেরা কিছু রস খেয়ে বাকিটা মৌচাকে জমা করে। সূর্যতাপে পরিশোধিত হয়ে মধু বিভিন্ন গুণ অর্জন করে। এর জলীয় অংশও অনেক কমে যায়। ফলে কাটাছেঁড়া স্থানে মধুর প্রলেপ দিলে প্রথমে সেখান থেকে জলীয় অংশ শুষে নেয় ও বাইরের জলীয় পদার্থ ঢুকতে দেয় না। জলীয় অংশ না থাকলে ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণু বাঁচতে পারে না। এভাবে মধু ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।
৩. গ্যাস্ট্রিক-আলসারে মধু উপকারে আসে। ১০০ গ্রাম কুসুম গরম পানিতে এক টেবিল-চামচ মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।
৪. রাতে শোয়ার ঘণ্টা দুয়েক আগে কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেলে ভালো ঘুম হয়।
সূত্র: উইকিপিডিয়া এবং রিডার্স ডাইজেস্ট প্রকাশিত বই হোম রেমেডি

Friday, 12 January 2018

মৌমাছি



তোমার রব মৌমাছির অন্তরে ইঙ্গিত দ্বারা নির্দেশ দিয়েছেনঃ তুমি গৃহ নির্মাণ কর পাহাড়, বৃক্ষ এবং মানুষ যে গৃহ নির্মাণ করে তাতে। এর পর প্রত্যেক ফল হতে কিছু কিছু আহার কর, অতঃপর তোমার রবের সহজ পথ অনুসরণ কর। ওর উদর হতে নির্গত হয় বিবিধ বর্ণের পানীয়, যাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিষেধক। অবশ্যই এতে রয়েছে নিদর্শন চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য।” [সূরা আন-নাহল(মৌমাছি) ১৬:৬৮-৬৯] 
.



    নাম:সাবিত আহমাদ
         ঠিকানা:ঝিনাইদহ    

অর্ডার করতে কল করুন :01969847686

কালোজিরা ফুলের মধু।

শতগুনে ভরা কালোজিরা ফুলের মধু। ঘন, মিস্টি, সুস্বাদু, মনোমুগ্ধকর, সোনালী বর্ণের এই মধুতে আছে অন্যান্য মধুর তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণ উপকারিতা। আছে মনমাতানো স্বাদ গন্ধ। পুষ্টি গুনে ভরা এই মধুতে আছে জানা-অজানা হাজারও উপকার।

কালোজিরা ফুলের মধু বিভিন্ন রোগের ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ এ্যাজমার মত যটিল ও কঠিন রোগ দুর হয়, সর্দি-কাশির উপশম, শারীরিকভাবে দুর্বল ব্যক্তিদের জন্য শক্তি যোগায় এবং এই মধুর ক্যালোরি গুণ অন্যান্য ফুলের মধুর চাইতে অনেক বেশি।

              নাম:সাবিত আহমাদ
               ঠিকানা:ঝিনাইদহ    
অর্ডার করতে কল করুন :01969847686



১০০% খাটি মধু পেতে এই পোষ্ট টি ভলো ভাবে পড়ুন?

সুমন: আব্বু মধু খাব,
বাবা:ভালো মধু তো পাওয়া খুব দুর্লভ.?
সুমন: কেন আব্বু অাপনি কি জানেন না, ভালো মধু এখন সাবিত ভাইয়ার কাছে পাওয়া যাচ্ছে।
বাবা:তুমি কি বলতে পারবা কি কি মধু পাওয়া যায় ?
সুমন: (সুন্দরবনের মধু), (কালিজিরা ফুলের মধু) পাওয়া যায়।
বাবা:তুমি কি বলতে পারবা কোনটার দাম কত ?
সুমন: (সুন্দরবনের মধু)৳৭০০.০০ (কালিজিরা ফুলের মধু) ৳৭৫0.00
বাবা:তুমি কি জানো,বর্তমানে কালিজিরা ফুলের মধু খুব খ্যাতি অর্জন করেছে।
সুমন: হ্যাঁ, জানি বাবা। কিন্তু কালিজিরা ফুলের মধুর দামটা কিছু যে বেশি বাবা ?
বাবা:সুমন জীবনে একটা কথা মনে রাখবা,জিনস যেটা ভাল দামটা তার একটু বেশি!
সুমন:
বাবা:তুমি কি জানো, কোরআন এবং হাদিসের আলোকে মধুর গুনাগুন ও উপকারিতা
সুমন:না আব্বু
বাবা:তাহলে শোন ?আয়্যাশ ইবন ওয়ালীদ (রহঃ) আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যাক্তি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে বললঃ আমার ভাইয়ের পেটে অসুখ হয়েছে। তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তাকে মধূ পান করাও। এরপর লোকটি দ্বিতীয়বার আসলে তিনি বললেনঃ তাকে মধু পান করাও। সে তৃতীয়বার আসলে তিনি বললেনঃ তাকে মধু পান করাও। এরপর লোকটি পুনরায় এসে বললঃ আমি অনুরূপই করেছি। তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ সত্য বলেছেন, কিন্তু তোমার ভাইয়ের পেট অসত্য বলছে। তাকে মধু পান করাও। সে তাকে মধু পান করাল। এবার সে আরোগ্য লাভ করল।
(সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ চিকিৎসা হাদিস নাম্বারঃ ৫২৮২)
সুমন:যেহেতু হাদিসে আসছে মধুর গুনাগুন সম্বন্ধে,তাহলে আব্বু আজই মধু কিনতে হবে ?
বাবা:সাবিত কোথায় থাকে? সাবিতের মোবাইল নম্বর কি তুমি জানো ?
সুমন:সাবিত ভাইয়া ঝিনাইদাহে থাকে। হ্যাঁ জানি আব্বু।০১৯৬৯৮৪৭৬৮৬.
বাবা:আমরা তো থাখি ঢাকা,মিরপুরে।এখন উপায়..!!!
সুমন:আব্বু সাবিত ভাইয়ারা তো কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সারা দেশে কুরিয়ার করে মধু পাঠায়, অর্ডার , ম্যাসেজ করে অথবা তাদের সাথে সরাসরি কথা বলতে ফোন করে মানুষ এই নাম্বারে::০১৯৬৯৮৪৭৬৮৬
বাবা:তাহলে এখনিই ফোন দিচ্ছি..........
সুমন:আব্বু আপনার সহকর্মীদের মধুর কথা বললে তারা অনেক উপকৃত হবে ইন-শ-আল্লাহ।
বাবা:Jazāk Allāh  download

সুন্দরবনের খলিসা ফুলের মধু ।

চলছে সুন্দরবনের খলিসা ফুলের মধু কুরিয়ারে নেবার পস্তুতি,আপনিও যদি পিওর মধু পেতে চান কল করুন:01969847686/01877516336 Honey.সাবিত মধু,